গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইয়ানকি গ্রুপের পরিচালক কার্ল হাওয়ে বলেন, অ্যানড্রয়েড ২.২ এবং আইফোন অপারেটিং সিস্টেম ৪.০ একই কাজ করলেও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এই দুই অপারেটিং সিস্টেমে ভিন্নতা আছে। দুইটি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যেই আছে মুক্ত সফটওয়্যারের নানা সুবিধা, মাল্টিটাস্কিং ও ফোল্ডার সুবিধা। তবে সিস্টেম দুইটির মাঝে ভিন্নতাও কিন্তু কম নয়। অ্যানড্রয়েড সিস্টেম এইচ টি এম এল ৫ সুবিধা সমর্থন করলেও আইফোন অপারেটিং সিস্টেম তা সমর্থন করে না। তবে আইফোন অপারেটিং সিস্টেমে আছে ফেসটাইম বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ভিডিও চ্যাটের সুবিধা। এ সুবিধা আবার অ্যানড্রয়েড এ নেই। স্মার্টফোনের বাজারে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে ব্ল্যাকবেরি, যার বাজার অংশীদারিত্ব শতকরা ৩৫। এরপরই রয়েছে আইফোন ২৮ শতাংশ এবং অ্যানড্রয়েড সমর্থিত স্মার্টফোন ৯ শতাংশ। চলতি বছর বিশ্বব্যাপি আইফোন প্রায় ৪ কোটি এবং আগামী বছর ৫ কোটি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে অ্যানড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন চলতি বছর ১ কোটি ৩৮ লাখ এবং আগামী বছর ২ কোটি ৫০ লাখ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আপনার যদি এই ব্লগের পোস্টগুলো ভাল লাগে তাহলে পরবর্তী পোস্টগুলো আপনার ইমেইলে পেতে আমাদের ইমেইল সার্ভিসে ফ্রী রেজিস্ট্রশন করুন।









0 টি মন্তব্য:
Post a Comment
এই পোস্টটির সম্পর্কে আপনার মতামত, প্রশ্ন অথবা কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে অনুগ্রহ করে নিচে আপনার মন্তব্যটি লিখুন।
ধন্যবাদ।