কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে আবারও একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি, ২০২৬) দিবাগত রাত ৩টার দিকে শুরু হওয়া এই আগুনে প্রায় ৫০০+ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বার্তাকে জানান, ৮টি ইউনিটের সমন্বয়ে ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, অন্তত ৫০০টিরও বেশী আবাসিক শেড পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এখনো ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি এবং হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে, এতগুলো ঘর পুড়ে যাওয়ায় শত শত পরিবার নতুন করে বাস্তুহারা ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ঘরগুলো অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং প্রধানত বাঁশ, প্লাস্টিক ও টিন দিয়ে তৈরি, যা অগ্নিকাণ্ডের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই আগুন লাইটার, রান্নার গ্যাস বা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হয়। এত স্বল্প সময়ে বারবার এ ধরনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড লাখো রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুর জীবনকে আরও অনিশ্চয়তা ও দুঃসহ যন্ত্রণার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ত্রাণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার করা এখন সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন। প্রযুক্তির বিশ্ব ব্লগে আপনার নিয়মিত ভিজিট কামনা করছি। ধন্যবাদ।

কোথায় এবং কীভাবে শুরু হলো আগুন?
ঘটনাটি ঘটেছে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ডি ৪ ব্লক থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা দ্রুত ১, ২ ও ৩ নম্বর ব্লকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মতে, একটি ব্র্যাক এনজিও পরিচালিত লার্নিং সেন্টারে প্রথম আগুন লাগে এবং সেখান থেকে আশপাশের বাঁশ ও টিনের তৈরি ঘরগুলোর দিকে ছড়িয়ে পড়ে।কতটা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলো?
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বার্তাকে জানান, ৮টি ইউনিটের সমন্বয়ে ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, অন্তত ৫০০টিরও বেশী আবাসিক শেড পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এখনো ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি এবং হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে, এতগুলো ঘর পুড়ে যাওয়ায় শত শত পরিবার নতুন করে বাস্তুহারা ও আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।
গত এক মাসে একের পর এক অগ্নিকাণ্ড...
এটি গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হওয়া কয়েকটি বড় অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে তৃতীয় ঘটনা। এর আগে ২৬ ডিসেম্বর উখিয়ার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি আরএমসি হাসপাতাল আগুনে পুড়ে যায়। তারও আগে, ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লেগে ১০টির বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।একটি অস্থায়ী জীবন, আর চিরস্থায়ী ভয়...
রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ঘরগুলো অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং প্রধানত বাঁশ, প্লাস্টিক ও টিন দিয়ে তৈরি, যা অগ্নিকাণ্ডের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই আগুন লাইটার, রান্নার গ্যাস বা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হয়। এত স্বল্প সময়ে বারবার এ ধরনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড লাখো রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুর জীবনকে আরও অনিশ্চয়তা ও দুঃসহ যন্ত্রণার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ত্রাণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার করা এখন সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন। প্রযুক্তির বিশ্ব ব্লগে আপনার নিয়মিত ভিজিট কামনা করছি। ধন্যবাদ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এই পোস্টটির সম্পর্কে আপনার মতামত, প্রশ্ন অথবা কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে অনুগ্রহ করে নিচে আপনার মন্তব্যটি লিখুন।
ধন্যবাদ।