বর্তমান সময়ে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কল করা, মেসেজ পাঠানো, কাজ করা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সবকিছুই এখন স্মার্টফোনকেন্দ্রিক। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অন্যদের নজরদারি, আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, এবং ডাটা ট্র্যাকিং দিন দিন বাড়ছে।
ভালো খবর হলো, ফোনের স্বাভাবিক কাজ নষ্ট না করেই কিছু সহজ সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আপনার প্রাইভেসি সুরক্ষা অনেকটাই নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রযুক্তির বিশ্ব ব্লগ টিমের পক্ষ থেকে নিচে এমনই ৮টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো।

Settings ➜ Google ➜ All Services ➜ Usage and diagnostics ➜ Off
গুগল ম্যাপস, জিমেইল, কনট্যাক্টসসহ বিভিন্ন অ্যাপের তথ্য বিজ্ঞাপন ও বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার হয়। Personalize using shared data বন্ধ করলে এই ডাটা ব্যবহার অনেক কমে যায়।
Settings ➜ Google ➜ Personalize using shared data ➜ অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনচেক করুন।
এতে আপনি ঠিক করতে পারবেন...
◉ কোন অ্যাপ মোবাইল ডাটা ব্যবহার করবে।
◉ কোন অ্যাপ WiFi ব্যবহার করবে।
◉ ফলে অপ্রয়োজনীয় ডাটা ট্র্যাকিং কমে যায়।
গুগল ক্রোম ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি ও ব্রাউজিং অভ্যাস ট্র্যাক করে। এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন...
◉ DuckDuckGo Browser
◉ Brave Browser
এই ব্রাউজারগুলো থার্ড পার্টি ট্র্যাকার ব্লক করে এবং ব্যবহারকারীর প্রোফাইল সংরক্ষণ করে না।
বন্ধ করার উপায়:
Settings ➜ Apps ➜ App name ➜ Permissions ➜ Location
# Only while using বা Don’t allow
অ্যান্ড্রয়েড ফোন WiFi ও মোবাইল টাওয়ার ব্যবহার করে খুব নির্ভুল লোকেশন বের করে। এতে নজরদারির মাত্রাও বাড়ে।
বন্ধ করার উপায়:
Settings ➜ Location ➜ Location services ➜ Location Accuracy
# Improve Location Accuracy ➜ Off
Settings ➜ Privacy ➜ Permission Manager
# অপ্রয়োজনীয় পারমিশন Remove করুন
অনেক সময় পুরনো সফটওয়্যারে সিকিউরিটি ফাঁক থাকে। নিয়মিত আপডেট দিলে এসব ঝুঁকি কমে যায়।
Settings ➜ Security and privacy ➜ Updates
# সর্বশেষ আপডেট ইনস্টল করুন।
প্রযুক্তির বিশ্ব টিমের পক্ষ থেকে শেষ কথা
কিছু ছোট সেটিংস পরিবর্তন আর সচেতন ব্যবহারই পারে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নজরদারি কমাতে। এতে ফোনের গতি বা স্বাভাবিক কাজের কোনো সমস্যা হয় না, বরং ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা অনেক বেশি নিশ্চিত হয়। প্রযুক্তির বিশ্ব ব্লগে Android ফোনের এই টিপসটি পড়ে কেমন লেগেছে তা আমাদের জানাতে ভুলবেন না। ভাল থাকুন, প্রযুক্তির সাথে থাকুন।
ভালো খবর হলো, ফোনের স্বাভাবিক কাজ নষ্ট না করেই কিছু সহজ সেটিংস পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আপনার প্রাইভেসি সুরক্ষা অনেকটাই নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রযুক্তির বিশ্ব ব্লগ টিমের পক্ষ থেকে নিচে এমনই ৮টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো।

১. গুগলের সঙ্গে তথ্য শেয়ার কমান (Google Data Sharing বন্ধ করুন)
অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগল বিভিন্ন কারণে ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে। এর মধ্যে Usage and Diagnostics অন্যতম। এই অপশন চালু থাকলে কোন অ্যাপ কতবার ব্যবহার করছেন, নেটওয়ার্ক কেমন এসব তথ্য গুগলের কাছে চলে যায়।Settings ➜ Google ➜ All Services ➜ Usage and diagnostics ➜ Off
২. পার্সোনালাইজড ডাটা ব্যবহার বন্ধ করুন
গুগল ম্যাপস, জিমেইল, কনট্যাক্টসসহ বিভিন্ন অ্যাপের তথ্য বিজ্ঞাপন ও বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার হয়। Personalize using shared data বন্ধ করলে এই ডাটা ব্যবহার অনেক কমে যায়।
Settings ➜ Google ➜ Personalize using shared data ➜ অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনচেক করুন।
৩. অ্যাপের ব্যাকগ্রাউন্ড ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করুন
অনেক অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তথ্য পাঠায়। এ জন্য NetGuard বা অনুরূপ ওপেন সোর্স অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।এতে আপনি ঠিক করতে পারবেন...
◉ কোন অ্যাপ মোবাইল ডাটা ব্যবহার করবে।
◉ কোন অ্যাপ WiFi ব্যবহার করবে।
◉ ফলে অপ্রয়োজনীয় ডাটা ট্র্যাকিং কমে যায়।
৪. প্রাইভেসি ভিত্তিক ব্রাউজার ব্যবহার করুন
গুগল ক্রোম ব্যবহারকারীর সার্চ হিস্ট্রি ও ব্রাউজিং অভ্যাস ট্র্যাক করে। এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন...
◉ DuckDuckGo Browser
◉ Brave Browser
এই ব্রাউজারগুলো থার্ড পার্টি ট্র্যাকার ব্লক করে এবং ব্যবহারকারীর প্রোফাইল সংরক্ষণ করে না।
৫. অপ্রয়োজনীয় লোকেশন ট্র্যাকিং বন্ধ রাখুন
সব অ্যাপের লোকেশন জানার দরকার নেই। লোকেশন শুধু নেভিগেশন বা জরুরি অ্যাপের জন্য চালু রাখাই ভালো।বন্ধ করার উপায়:
Settings ➜ Apps ➜ App name ➜ Permissions ➜ Location
# Only while using বা Don’t allow
৬. লোকেশন অ্যাকিউরেসি কমিয়ে দিন
অ্যান্ড্রয়েড ফোন WiFi ও মোবাইল টাওয়ার ব্যবহার করে খুব নির্ভুল লোকেশন বের করে। এতে নজরদারির মাত্রাও বাড়ে।
বন্ধ করার উপায়:
Settings ➜ Location ➜ Location services ➜ Location Accuracy
# Improve Location Accuracy ➜ Off
৭. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ পারমিশন বাতিল করুন
অনেক অ্যাপ প্রয়োজন ছাড়াই ক্যামেরা, মাইক, কনট্যাক্টস অ্যাকসেস চায়। নিয়মিত এসব পারমিশন চেক করা জরুরি।Settings ➜ Privacy ➜ Permission Manager
# অপ্রয়োজনীয় পারমিশন Remove করুন
৮. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট রাখুন
অনেক সময় পুরনো সফটওয়্যারে সিকিউরিটি ফাঁক থাকে। নিয়মিত আপডেট দিলে এসব ঝুঁকি কমে যায়।
Settings ➜ Security and privacy ➜ Updates
# সর্বশেষ আপডেট ইনস্টল করুন।
প্রযুক্তির বিশ্ব টিমের পক্ষ থেকে শেষ কথা
কিছু ছোট সেটিংস পরিবর্তন আর সচেতন ব্যবহারই পারে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নজরদারি কমাতে। এতে ফোনের গতি বা স্বাভাবিক কাজের কোনো সমস্যা হয় না, বরং ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা অনেক বেশি নিশ্চিত হয়। প্রযুক্তির বিশ্ব ব্লগে Android ফোনের এই টিপসটি পড়ে কেমন লেগেছে তা আমাদের জানাতে ভুলবেন না। ভাল থাকুন, প্রযুক্তির সাথে থাকুন।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এই পোস্টটির সম্পর্কে আপনার মতামত, প্রশ্ন অথবা কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে অনুগ্রহ করে নিচে আপনার মন্তব্যটি লিখুন।
ধন্যবাদ।