রোজায় সুস্থ থাকার উপায় জানাটা আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার ফলে শরীরের ওপর চাপ পড়ে। অনেকেই এ সময় গ্যাস্ট্রিক, আলসার, বুকজ্বালা বা হজমের সমস্যায় ভোগেন। যা এবারের রমজান মাসে আমার সাথে প্রায়ই হচ্ছে। বিশেষ করে বুক এবং গলা জ্বলা। অনেক খোঁজার পর কিছু সমাধান পেয়েছি যা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও কিছু সহজ নিয়ম মানলেই রোজায় সুস্থ থাকা সম্ভব। ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসকরাও রমজানে নিয়ম মেনে চলার কিছু পরামর্শ দেন। প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে দেওয়া হলো রোজায় সুস্থ থাকার ১০টি কার্যকর নিয়ম...

অতিরিক্ত তেল ও ঝাল গ্যাস্ট্রিক সমস্যার কারণ হতে পারে। ইফতারে পেঁয়াজু, বেগুনি বা অতিরিক্ত ভাজা খাবার কম খান। হালকা রান্না ও কম মসলা ব্যবহার করলে পেট ভালো থাকে।
ইফতারে বেশি মিষ্টি বা শরবত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে ক্লান্তি ও ঘুমভাব তৈরি হতে পারে। প্রাকৃতিক ফলের রস বেছে নিন, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
রোজায় সুস্থ থাকার টিপস এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভালো ঘুম। খুব রাতে দেরি করে না ঘুমিয়ে অন্তত ৬ - ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুম কম হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও কিছু সহজ নিয়ম মানলেই রোজায় সুস্থ থাকা সম্ভব। ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসকরাও রমজানে নিয়ম মেনে চলার কিছু পরামর্শ দেন। প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে দেওয়া হলো রোজায় সুস্থ থাকার ১০টি কার্যকর নিয়ম...
আরো জানুন: জেনে নিন রোজায় ইফতারির পর ধূমপানের কুফল

১. সেহরি কখনো বাদ দেবেন না
সেহরি খাওয়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে পেটে অ্যাসিড বাড়ে। এতে বুকজ্বালা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। সেহরিতে ভাত, ডাল, সবজি, ডিম বা হালকা প্রোটিন রাখুন। অতিরিক্ত তেল, মিষ্টি ও ভাজাপোড়া এড়িয়ে চলুন।২. ইফতারে হালকা দিয়ে শুরু করুন
সারাদিন রোজা রাখার পর হঠাৎ ভারী খাবার খাওয়া ঠিক নয়। এতে হজমের সমস্যা হতে পারে। খেজুর, ফল বা পানি দিয়ে রোজা ভাঙুন। এরপর ধীরে ধীরে প্রধান খাবার খান।৩. ভাজাপোড়া ও ঝাল কম খান
অতিরিক্ত তেল ও ঝাল গ্যাস্ট্রিক সমস্যার কারণ হতে পারে। ইফতারে পেঁয়াজু, বেগুনি বা অতিরিক্ত ভাজা খাবার কম খান। হালকা রান্না ও কম মসলা ব্যবহার করলে পেট ভালো থাকে।
৪. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
রোজায় ডিহাইড্রেশন এড়ানোর উপায় হলো পর্যাপ্ত পানি পান করা। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ধীরে ধীরে ৯ বা ১০ গ্লাস পানি পান করুন। অতিরিক্ত চা, কফি বা মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলুন।৫. ওষুধের সময় ঠিক রাখুন
যারা আলসার বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেহরি বা ইফতারের সময় ওষুধ নিন। কোনো সমস্যা হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।৬. অতিরিক্ত মিষ্টি খাবেন না
ইফতারে বেশি মিষ্টি বা শরবত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে ক্লান্তি ও ঘুমভাব তৈরি হতে পারে। প্রাকৃতিক ফলের রস বেছে নিন, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৭. ধীরে ধীরে খাবার খান
অনেকে ইফতারে খুব দ্রুত খেয়ে ফেলেন। এতে পেটে গ্যাস ও অস্বস্তি হয়। খাবার ভালো করে চিবিয়ে ধীরে খান। এতে হজম ভালো হয়।৮. হালকা ব্যায়াম করুন
ইফতারের ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর হালকা হাঁটা শরীরের জন্য ভালো। এতে হজম শক্তি বাড়ে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে ভারী ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকুন।৯. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন
রোজায় সুস্থ থাকার টিপস এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভালো ঘুম। খুব রাতে দেরি করে না ঘুমিয়ে অন্তত ৬ - ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুম কম হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।
১০. মানসিক চাপ কম রাখুন
রোজা শুধু শারীরিক নয়, মানসিক প্রশান্তিরও সময়। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা চাপ শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নিয়মিত নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও ইতিবাচক চিন্তা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন বিষয়ক আরও সচেতন লেখা পেতে ভিজিট করুন প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে।প্রযুক্তির বিশ্ব টিমের শেষ কথা:
আসলে রোজায় সুস্থ থাকার উপায় খুব কঠিন কিছু নয়। সচেতন খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি ও নিয়ম মেনে চললেই গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও অন্যান্য পেটের সমস্যা কমানো সম্ভব। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সুস্থ থাকাটাও জরুরি। তাই এই ১০টি নিয়ম মেনে চলুন এবং নিজের যত্ন নিন। নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক আপডেট পেতে ভিজিট করুন প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এই পোস্টটির সম্পর্কে আপনার মতামত, প্রশ্ন অথবা কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে অনুগ্রহ করে নিচে আপনার মন্তব্যটি লিখুন।
ধন্যবাদ।