রাতের ঘুমের ঠিক আগে হঠাৎ কানের পাশে ভেসে আসে বিরক্তিকর গুননননননন শব্দ। তখন অনেকেই ভাবেন, মশা কেন কানের কাছে গুনগুন করে? মনে হয় যেন ইচ্ছে করেই আমাদের ঘুম নষ্ট করতে আসে। কিন্তু আসল সত্যটা ভিন্ন। এর পেছনে আছে পরিষ্কার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
কিছুদিন আগে এই বিষয়টি নিয়ে একজন পাঠক প্রশ্ন করেছিলেন প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে। তাই সহজ ভাষায় পুরো বিষয়টি এখানে তুলে ধরা হলো।

এখন প্রশ্ন হলো, মশা কানের কাছেই কেন উড়ে? এর পেছনে বড় কারণ হলো কার্বন ডাই অক্সাইড। আমরা শ্বাস নেওয়ার সময় এই গ্যাস ছাড়ি। স্ত্রী মশা দূর থেকে এই গ্যাস শনাক্ত করতে পারে। মুখ, নাক ও কান সংলগ্ন অংশ থেকে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয়, তাই মশা সেদিকেই বেশি উড়ে আসে।
তাছাড়া আমাদের শরীরের তাপও মশাকে আকর্ষণ করে। কানের পাশের ত্বক তুলনামূলক নরম এবং রক্তনালী কাছাকাছি থাকে। তাই সেই জায়গা তাদের কাছে সহজ এবং সরাসরি টার্গেট।
মশা কেন কানের কাছে গুনগুন করে এটা জানা মজার হলেও, মশার উপস্থিতি কিন্তু শুধু বিরক্তির বিষয় নয়। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ ছড়ায় মশার মাধ্যমে। তাই ঘরের আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি ফেলে দেওয়া, মশারি ব্যবহার করা খুব জরুরি। আরও অবাক করার মতো তথ্য হলো, পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই মশা আছে, তবে আইসল্যান্ডে প্রাকৃতিকভাবে মশা নেই। সেখানকার ঠান্ডা পরিবেশ মশার জীবনচক্র টিকিয়ে রাখতে পারে না।
আমাদের শেষ কথা:
তাই পরিশেষে বলা যায়, মশার গুনগুন শব্দ আমাদের বিরক্ত করার জন্য নয়। এটি তাদের বেঁচে থাকা ও বংশবিস্তার করার স্বাভাবিক অংশ। আমরা ঘুমানোর সময় শান্ত পরিবেশ চাই বলেই এই শব্দ বেশি বিরক্তিকর মনে হয়।
তবুও সচেতনতা জরুরি। কারণ ছোট এই পোকাটিই আপনার বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ধরনের বৈজ্ঞানিক তথ্য সহজভাবে তুলে ধরা হয় প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে, যাতে সবাই বুঝতে পারেন। এই পোস্টটির ব্যাপারে আপনার মনের মতামত জানাতে ভুলবেন না। কমেন্ট করুন, শেয়ার করুন। ভাল থাকুন সবসময়।
কিছুদিন আগে এই বিষয়টি নিয়ে একজন পাঠক প্রশ্ন করেছিলেন প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে। তাই সহজ ভাষায় পুরো বিষয়টি এখানে তুলে ধরা হলো।

মশার গুনগুন শব্দের আসল কারণ
আমরা যে মশার গুনগুন শব্দ শুনি, সেটি আসলে তাদের ডানা ঝাপটানোর আওয়াজ। মশার ডানা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪০০ থেকে ৬০০ বার কাঁপতে পারে। স্ত্রী মশা সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার ডানা ঝাপটায়। এই দ্রুত কম্পনের ফলে ৪৫০ থেকে ৫০০ হার্টজ ফ্রিকোয়েন্সির শব্দ তৈরি হয়, যা আমাদের কানে গুনগুন হিসেবে শোনা যায়। পুরুষ মশার ডানা ঝাপটানোর গতি আরও বেশি। তবে আমরা বেশি শুনি স্ত্রী মশার শব্দ, কারণ মানুষের রক্ত পান করে শুধু স্ত্রী মশাই।তাহলে কেন কানের কাছেই বেশি আসে?
এখন প্রশ্ন হলো, মশা কানের কাছেই কেন উড়ে? এর পেছনে বড় কারণ হলো কার্বন ডাই অক্সাইড। আমরা শ্বাস নেওয়ার সময় এই গ্যাস ছাড়ি। স্ত্রী মশা দূর থেকে এই গ্যাস শনাক্ত করতে পারে। মুখ, নাক ও কান সংলগ্ন অংশ থেকে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয়, তাই মশা সেদিকেই বেশি উড়ে আসে।
তাছাড়া আমাদের শরীরের তাপও মশাকে আকর্ষণ করে। কানের পাশের ত্বক তুলনামূলক নরম এবং রক্তনালী কাছাকাছি থাকে। তাই সেই জায়গা তাদের কাছে সহজ এবং সরাসরি টার্গেট।
মশার জন্য গুনগুন শব্দ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
মজার বিষয় হলো, যে শব্দ আমাদের কাছে বিরক্তিকর, সেটিই পুরুষ মশার কাছে আকর্ষণীয়। মিলনের সময় পুরুষ মশা স্ত্রী মশার ডানার শব্দ শুনে সঙ্গী খুঁজে নেয়। অর্থাৎ মশার গুনগুন শব্দ তাদের প্রজনন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ কারণেই এই শব্দ থামানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এটি তাদের স্বাভাবিক আচরণ।কাদের প্রতি মশা বেশি আকৃষ্ট হয়?
গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু মানুষের প্রতি মশা বেশি আকৃষ্ট হয়। এর পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। যাদের ত্বকের রং গাঢ়, তাদের প্রতি স্ত্রী মশার আকর্ষণ বেশি হতে পারে। আবার শরীরের ঘ্রাণ ও ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার গঠনও বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেসব মানুষের ত্বকে কম বৈচিত্র্যময় ব্যাকটেরিয়া থাকে, তাদের প্রতি মশা বেশি আকৃষ্ট হতে পারে।মশা শুধু বিরক্তিকর নয়, ঝুঁকিও তৈরি করে...
মশা কেন কানের কাছে গুনগুন করে এটা জানা মজার হলেও, মশার উপস্থিতি কিন্তু শুধু বিরক্তির বিষয় নয়। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ ছড়ায় মশার মাধ্যমে। তাই ঘরের আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি ফেলে দেওয়া, মশারি ব্যবহার করা খুব জরুরি। আরও অবাক করার মতো তথ্য হলো, পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই মশা আছে, তবে আইসল্যান্ডে প্রাকৃতিকভাবে মশা নেই। সেখানকার ঠান্ডা পরিবেশ মশার জীবনচক্র টিকিয়ে রাখতে পারে না।
আমাদের শেষ কথা:
তাই পরিশেষে বলা যায়, মশার গুনগুন শব্দ আমাদের বিরক্ত করার জন্য নয়। এটি তাদের বেঁচে থাকা ও বংশবিস্তার করার স্বাভাবিক অংশ। আমরা ঘুমানোর সময় শান্ত পরিবেশ চাই বলেই এই শব্দ বেশি বিরক্তিকর মনে হয়।
তবুও সচেতনতা জরুরি। কারণ ছোট এই পোকাটিই আপনার বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এই ধরনের বৈজ্ঞানিক তথ্য সহজভাবে তুলে ধরা হয় প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে, যাতে সবাই বুঝতে পারেন। এই পোস্টটির ব্যাপারে আপনার মনের মতামত জানাতে ভুলবেন না। কমেন্ট করুন, শেয়ার করুন। ভাল থাকুন সবসময়।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এই পোস্টটির সম্পর্কে আপনার মতামত, প্রশ্ন অথবা কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে অনুগ্রহ করে নিচে আপনার মন্তব্যটি লিখুন।
ধন্যবাদ।