মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বড় দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে হওয়া সমঝোতার ফলে বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত থাকবে। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য জানান।
স্থানীয় সময় রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ২৮ মিনিটের এক ফোনালাপে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি আবারও সামরিক হামলা শুরু করতে পারেন। অন্যথায়, যুক্তরাষ্ট্র "মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক" হিসেবে দায়িত্ব নেবে এবং এর বিনিময়ে অঞ্চলের আয়ের এক পঞ্চমাংশ দাবি করবে।

ট্রাম্প তার আগের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি দাবি করেন, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত এবং পরে দেশটির বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে বদলে গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর ট্রাম্প এ বিষয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে আরও কোনো আলোচনা করেছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, রোববার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন, দুই দেশ যুদ্ধের অবসান, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চুক্তির ঘোষণা দিয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, "ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন হয়েছে।"
এর কিছুক্ষণ আগে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে একটি সমঝোতা অর্জিত হয়েছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবরসহ আরও বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে। আমরা নিয়ে আসি নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য সংবাদ।
স্থানীয় সময় রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ২৮ মিনিটের এক ফোনালাপে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তিনি আবারও সামরিক হামলা শুরু করতে পারেন। অন্যথায়, যুক্তরাষ্ট্র "মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক" হিসেবে দায়িত্ব নেবে এবং এর বিনিময়ে অঞ্চলের আয়ের এক পঞ্চমাংশ দাবি করবে।

ট্রাম্প তার আগের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি দাবি করেন, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার সিদ্ধান্ত এবং পরে দেশটির বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ আরোপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে বদলে গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর ট্রাম্প এ বিষয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের সঙ্গে আরও কোনো আলোচনা করেছেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, রোববার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন, দুই দেশ যুদ্ধের অবসান, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালুর বিষয়ে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চুক্তির ঘোষণা দিয়ে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, "ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে চুক্তি এখন সম্পন্ন হয়েছে।"
এর কিছুক্ষণ আগে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানান, স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে একটি সমঝোতা অর্জিত হয়েছে।
এই চুক্তির প্রভাব কী হবে?
হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভর করে বিশ্বের প্রায় এক পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ। এই প্রণালী টোলমুক্ত থাকলে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং বিশ্ববাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে "মধ্যপ্রাচ্যের অভিভাবক" ঘোষণা করে অঞ্চলের আয়ের অংশ দাবি করছে এটি একটি বড় ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবরসহ আরও বিশ্লেষণ পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন প্রযুক্তির বিশ্ব বাংলা টেক ব্লগে। আমরা নিয়ে আসি নির্ভরযোগ্য ও সহজবোধ্য সংবাদ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এই পোস্টটির সম্পর্কে আপনার মতামত, প্রশ্ন অথবা কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে অনুগ্রহ করে নিচে আপনার মন্তব্যটি লিখুন।
ধন্যবাদ।