আমরা সকলেই জানি গত এপ্রিলে ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এটি ছিল গত দুই বছরে তার ওপর তৃতীয়বারের মতো হামলা। এর আগে পেনসিলভেনিয়ায় এবং ফ্লোরিডায় তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, হামলার মাত্র দেড় ঘন্টা পর ট্রাম্প সংবাদ সম্মেলনে এসে বলেন, তিনি হোয়াইট হাউসে একটি নতুন বলরুম তৈরি করবেন। যেখানে কিছুক্ষণ আগে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, সেখানে তার মাথায় চলছে কীভাবে একটি নতুন ভবন তৈরি করা যায়।

নতুন এই বলরুম তৈরি করতে ২০০ বছরের বেশি বয়সী হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। প্রায় ১২০ বছরের পুরনো ইস্ট উইং ভেঙে আন্ডারগ্রাউন্ডে বলরুম তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ছিল আমেরিকার ফার্স্ট লেডির অফিস। ১৯৫০ সালে হ্যারি ট্রুম্যানের সংস্কারের পর এটিই হবে হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে বড় সংস্কার।
শুধু বলরুমই নয়, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের আরও অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা নিজের পছন্দমতো সাজাচ্ছেন। রোজ গার্ডেনের সবুজ ঘাস তুলে সেখানে পাথর ও টেবিল বসানো হয়েছে। ওভাল অফিস এবং ক্যাবিনেট রুমের সব ফ্রেম সোনালী রং করা হয়েছে, যা ট্রাম্পের নিজের বাসা ট্রাম্প টাওয়ারের মতো করে সাজানো হয়েছে।
ট্রাম্পের সংস্কার পরিকল্পনা শুধু হোয়াইট হাউসেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতেও আমূল পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উপলক্ষে ২৫০ ফুট উচ্চতার একটি তোরণ নির্মাণ করবেন, যার নাম ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্চ (Independence Arch)। সমালোচকরা এর নাম দিয়েছেন "আর্ক দি ট্রাম্প" (Arc de Trump)
আমেরিকায় ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ চলছে। অনেকে তাকে রাজা বলছে, কারণ একসময় রাজারা যেভাবে নিজের নাম জাহির করার জন্য বড় বড় স্থাপনা তৈরি করতেন, ট্রাম্পও ঠিক একই কাজ করছেন। তার স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আন্দোলন বেগবান হলেও ট্রাম্প সেসব পাত্তা না দিয়ে নিজের খেয়াল খুশিমতো দেশ চালাচ্ছেন।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো: আমেরিকা আসলে কারা চালায়? সরকার নাকি সরকারের পেছনে থাকা ব্যবসায়ীরা? হোয়াইট হাউস থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ, যেটি মার্কিন ডলার ছাপায়। অথচ এটি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তাহলে কাদের স্বার্থে এই স্থাপনা নির্মাণ?
সোর্স: https://www.youtube.com/watch?v=YxSrT3FFIs0

ট্রাম্প কেন এই বলরুম তৈরি করতে চান?
তার যুক্তি হলো, ওয়াশিংটন হিল্টন হোটেলের বলরুমে প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রিসভা এবং কংগ্রেস সদস্যদের একসঙ্গে জড়ো করা নিরাপত্তার ঝুঁকিপূর্ণ। তাই হোয়াইট হাউসেই একটি ১০০০ আসনের বলরুম নির্মাণ করা উচিত, যাতে অত্যাধুনিক সকল নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু এই বলরুম তৈরি করতে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার (৫০০০ কোটি টাকা) বাজেট ধরা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অনুদানে তৈরি হবে বলে দাবি ট্রাম্পের। এখানেই আমেরিকানদের সন্দেহ; এত বেশি অনুদান কারা দেবে এবং এর বিনিময়ে তারা কী সুবিধা নেবে?নতুন এই বলরুম তৈরি করতে ২০০ বছরের বেশি বয়সী হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে। প্রায় ১২০ বছরের পুরনো ইস্ট উইং ভেঙে আন্ডারগ্রাউন্ডে বলরুম তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ছিল আমেরিকার ফার্স্ট লেডির অফিস। ১৯৫০ সালে হ্যারি ট্রুম্যানের সংস্কারের পর এটিই হবে হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে বড় সংস্কার।
শুধু বলরুমই নয়, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের আরও অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা নিজের পছন্দমতো সাজাচ্ছেন। রোজ গার্ডেনের সবুজ ঘাস তুলে সেখানে পাথর ও টেবিল বসানো হয়েছে। ওভাল অফিস এবং ক্যাবিনেট রুমের সব ফ্রেম সোনালী রং করা হয়েছে, যা ট্রাম্পের নিজের বাসা ট্রাম্প টাওয়ারের মতো করে সাজানো হয়েছে।
ট্রাম্পের সংস্কার পরিকল্পনা শুধু হোয়াইট হাউসেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতেও আমূল পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উপলক্ষে ২৫০ ফুট উচ্চতার একটি তোরণ নির্মাণ করবেন, যার নাম ইন্ডিপেন্ডেন্স আর্চ (Independence Arch)। সমালোচকরা এর নাম দিয়েছেন "আর্ক দি ট্রাম্প" (Arc de Trump)
আমেরিকায় ট্রাম্পকে নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ চলছে। অনেকে তাকে রাজা বলছে, কারণ একসময় রাজারা যেভাবে নিজের নাম জাহির করার জন্য বড় বড় স্থাপনা তৈরি করতেন, ট্রাম্পও ঠিক একই কাজ করছেন। তার স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে আন্দোলন বেগবান হলেও ট্রাম্প সেসব পাত্তা না দিয়ে নিজের খেয়াল খুশিমতো দেশ চালাচ্ছেন।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো: আমেরিকা আসলে কারা চালায়? সরকার নাকি সরকারের পেছনে থাকা ব্যবসায়ীরা? হোয়াইট হাউস থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ, যেটি মার্কিন ডলার ছাপায়। অথচ এটি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তাহলে কাদের স্বার্থে এই স্থাপনা নির্মাণ?
সোর্স: https://www.youtube.com/watch?v=YxSrT3FFIs0
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এই পোস্টটির সম্পর্কে আপনার মতামত, প্রশ্ন অথবা কিছু জানতে বা জানাতে চাইলে অনুগ্রহ করে নিচে আপনার মন্তব্যটি লিখুন।
ধন্যবাদ।