জুন ২০১৪ এ আসছে আইফোন ৫এস

Apple logo iphone 5s

আকাশ ছোঁয়া দামী আইফোনের কমদামী সংস্করণ আসছে নতুন বছরের জুন মাসে। বিশ্বের সেরা প্রযুক্তি বিষয়ক কয়েকটি ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। আইফোনের কালার রঙীন নয় এই নিয়ে সমালোচনার যেন শেষ নেই, আর তাই অ্যাপল এবার রঙীন আইফোন ৫এস নিয়ে হাজির হবে।

আগামী বছরের জুন মাসে এক হাজার রঙীন আইফোন অ্যাপল ইউনিটকে দেয়া হবে পরীক্ষা করার জন্য। গ্রাহকের সন্তুষ্টি, মতামত এবং মান সবকিছু যদি ঠিক থাকে তাহলে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়েই তৈরী করা হবে হাজার হাজার আইফোন ৫এস।

বলে রাখি, আইফোন ৫এস এর দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ ডলারের মধ্যে হবে বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যমগুলো। এবার আইফোনের কেসিং তৈরীতে ব্যবহার করা হবে প্লাস্টিকের পলিকারবোনেট প্রযুক্তি। আর অনেকটা এর জন্যই আইফোন ৫এস এর দাম এটটা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
এখন শুধু অপেক্ষার পালা...
বিস্তারিত পড়ুন - জুন ২০১৪ এ আসছে আইফোন ৫এস

ফেসবুকে বন্ধু সেজে অপহরণ করল এক কিশোরকে

আজকে একটা খবর পড়ে পুরাই অবাক হয়ে গেলাম। পাকিস্তানের করাচি শহরে ১৩ বছরের এক কিশোরকে অপহরণ করে তারই ফেসবুক বন্ধুরা। ঘটনাটি আসলে এই রকম যে, অপহরণকারীরা প্রথমে তাকে ফেন্ড রিকুয়েষ্ট পাঠায় তারপর তার সাথে খুব ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলে। তারপর এক পর্যায়ে তার সাথে দেখা করার কথা বলে তাকে অপহরণ করেছে। ছেলেটির বাবা প্রভাবশালী কাস্টমস অফিসার এবং অপহরণের পর ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। করাচির পুলিশ অবশ্য তাকে উদ্বার করেছে এবং জানিয়েছে, অপহরণকারীর একটি চক্র অনলাইনে গেমিং ফেন্ড সেজে নিজেদের উপস্থাপিত করে এবং ভুলিয়ে ভালিয়ে তাদের সাথে দেখা করার নাম করে অপহরণ করে ও মুক্তিপণ দাবী করে।

friend is a trap to kidnap

এবার ভাবুন অপহরণকারীরা ও কেমন ডিজিটাল হয়ে গেছে। আপনার অনলাইন বন্ধু কখনই আপনার বাস্তব বন্ধু না। তাই যতই আপনাকে বলুক না কেন কখনোই একা একা দেখা করতে যাবেন না এবং খুব ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করবেন না। আর আসল কথা হচ্ছে, এরা কিন্তু মেয়ে সেজে ছেলে পটায়। যদি মনে করেন মেয়ে বন্ধু পাইছি আর কি লাগে তাহলে মনে রাথবেন আপনি কিন্তু চরম রিক্সের উপর আছেন।

আর একটা কথা, গত ৩ দিন আগে আমাদের বাড়ির পাশের বাড়ির এক চাল বিক্রেতার ছেলেকে অপহরণ করে ২০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। ভাগ্য ভাল, পুলিশ তাকে গতকাল সিলেট থেকে উদ্বার করে। কিন্তু বলুন, ভাগ্য কতবার ভাল থাকে আর কতজনের ইবা ভাল থাকে? বর্তমানে এই ঘটনাগুলো খুব সচরাচর ঘটছে। তাই বন্ধু বান্ধব নির্বাচন করার ক্ষেত্রে শতবার বিবেচনা করুন। কারণ, আপনার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি আপনার একজন বন্ধুই করতে পারবে, বাইরের অন্য কেউ নয়।
বিস্তারিত পড়ুন - ফেসবুকে বন্ধু সেজে অপহরণ করল এক কিশোরকে

হ্যালুসিনেশন কী, কেন এবং তার প্রতিকার

বতর্মানে বিভিন্ন কারণে হ্যালুসিনেশন শব্দটি খুবই জনপ্রিয়। কেউ দেখেন মজার বিষয় হিসাবে, কেউ নাটক বা উপন্যাসের উপকরণ হিসাবে আবার কেউ বিশেষ ক্ষমতা প্রাপ্তির সাথে একে তুলনা করেন। আসলে হ্যালুসিনেশন হল একটি প্যাথলজিকাল কন্ডিশন। এটি একটি অস্বাভাবিক অনুভূতি। অনুভূতি সাধারণ এবং সত্যের মত হলেও এর কার্যাবলি ও উপস্থিতি সকল ক্ষেত্রেই অস্বাভাবিক ও অসংগতিপূর্ণ যা একেবারেই সুখের নয়।

hallucination why and its solution

হ্যালুসিনেশন আসলে কী?

শরীরের বিভিন্ন ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে আমরা যে সকল অনুভূতি অনুভব করি (ছোয়া, গন্ধ, স্বাদ ইত্যাদি) এবং যেগুলোকে আমরা সত্য বলে জানি দেখি ও বিশ্বাস করি হ্যালুসিনেশনের অনুভূতি এ ঠিক তেমনই। অবিকল সত্য কিন্তু সেখানে বাস্তব সত্য কোনো স্টিমুলেশন অথবা বাস্তব কোনো কিছুর অবস্থান থাকে না। হ্যালুসিনেশন কোন স্বপ্ন নয়। ইচ্ছা করলেই কেউ হ্যালুসিনেশনের অনুভূতি গুলোকে অনুভব করতে পারবে না। এমনকি হ্যালুসিনেশন হলে ইচ্ছা করলেই কেউ আবার এই অনুভূতি গুলোকে বাদ দিতে পারবে না। সম্পূর্ণ ঘটনাটিতে হ্যালুসিনেশনে আক্রান্ত ব্যাক্তির কোন ধরনের ইচ্ছা, নিয়ন্ত্রন থাকে না। এখানে আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল যে হ্যালুসিনেশনে আক্রান্ত ব্যাক্তিটি এই ধরনের অবাস্তব অনুভূতি গুলোকে একেবারে সত্য মনে করে। উদাহরণ সরুপ বলা যায়, কোনো একজন ব্যাক্তি হ্যালুসিনেশনে আক্রান্ত এবং সে দেখছে তার পাশে একটা লোক সারাক্ষণ ঘুরাঘোরি করছে, তার সাথ কথা বলছে বা তাকে স্পর্শ করছে। কিন্তু বাস্তবে তেমন লোকই নেই। অন্য সুস্থ মানুষরা সেই অবাস্তব লোকটিকে কখনই দেখবে না। এখন এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের সকল মানুষ এসেও যদি আক্রান্ত ব্যাক্তিকে বুঝানোর চেষ্টা করে কোনো তাহলে এক বিন্দুও কাজ হবে না।
এমন ও হতে পারে আক্রান্ত মানুষটি এক বা একের অধিক মানুষের সাথে কথা বলতে পারে। হতে পারে সে এখানে বসে লন্ডনে কারো সাথে কথা বলছে। আসলে কেউ কেউ এটাকে অলৌকিক শক্তি ভাবলেও এটা একটা মানসিক রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির চিকিৎসা শুরু হবার কিছু দিন পর যথন রোগ একটু একটু নিয়ন্ত্রনে আসে তথন বেশীরভাগ রোগীই ঘটনাটি বুঝতে পারে।

হ্যালুসিনেশন কেন হয়?

হ্যালুসিনেশনের কারন এখনও স্পষ্ট নয়। হ্যালুসিনেশন নিজে কোনো রোগ নয়, বরং অন্য রোগের উপসর্গ। প্রধানত এটি মানসিক সমস্যা অথবা রোগের সাথে সম্পর্কযুক্ত। তবে কিছু ক্ষেত্রে শারীরিক সমস্যার সাথে হ্যালুসিনেশন যোগ থাকতে পারে। তাই কেবল হ্যালুসিনেশন দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়। সিজোফ্রেনিয়া, সিভিয়ার মুড ডিসঅর্ডার, ডিল্যুশনাল ডিসঅর্ডারের সাথে প্রায়ই হ্যালুসিনেশন দেখা যায়। মস্তিস্কের সমস্যায় হ্যালুসিনেশন হতে পারে। এমনকি শরীরে লবণের তারতম্যের জন্যেও স্বল্পমেয়াদের হ্যালুসিনেশন দেখা দিতে পারে।

what is hallucination

হ্যালুসিনেশন নির্ণয় এবং এর চিকিৎসা

হ্যালুসিনেশন নির্ণয় করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পরে। মনের ভিতর থেকে আসা চিন্তা কথা এবং অনুভূতির সাথে হ্যালুসিনেশনকে মিলিয়ে ফেলা হয় অনেক সময়। যেহেতু হ্যালুসিনেশন নিজে একা থাকে না তাই এর পিছনের রোগটির ধারনের সাথে ও এর অনেক মিল থাকে। হ্যালুসিনেশন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তাই সার্বিক রোগ নির্ণয় করা জরুরি এবং অবশ্যই তা বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে করা উচিত। চিকিৎসা বিষয়টি নির্ভর করে হ্যালুসিনেশনের পেছনে থাকা রোগটির উপর। অর্থাৎ রোগটির চিকিৎসা মানেই হ্যালুসিনেশনের চিকিৎসা। তবে সব ক্ষেত্রেই এর চিকিৎসা “এন্টিসাইকোটিক” ঔষুধনির্ভর হয়ে থাকে।   Y334GMH7UYKE

বিস্তারিত পড়ুন - হ্যালুসিনেশন কী, কেন এবং তার প্রতিকার

আন্ডারওয়াটার ভিউ : নতুন আকর্ষণ এল গুগল ম্যাপস এ

বিশ্বের অগণিত মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারকারির কাছে গুগল ম্যাপস এর কথা একেবারে পরিচিত একটি কথা। গুগলের সার্চ ইন্ঞ্জিন, ইউটিউব এর পর ব্যবহারের দিক থেকে গুগল ম্যাপস এর স্থান। বিশ্বের অগণিত ইন্টারনেট ব্যবহারকারির কাছে একমাত্র গুগল ম্যাপস ই নির্ভরযোগ্য এবং আকর্ষণীয় ডিজিটাল মানচিত্র।

google maps underwater view

সম্প্রতি অ্যাপল এর অপারেটিং সিস্টেম আইওএস-৬ এ গুগল ম্যাপস এর মানচিত্র ডিফল্ট না রাখায় অ্যাপল ব্যবহারকারিরা চরম ক্ষোভ করেন এবং এ থেকে খুব সহজেই প্রমানিত হয় যে গুগল ম্যাপস এর জনপ্রিয়তা বর্তমান বিশ্বে কতটুকু।

এই জনপ্রিয়তার প্রেক্ষিতে গুগল ম্যাপস কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি আরো একটি নতুন ফিচার যোগ করল গুগল ম্যাপস এ। আর সেই নতুন ফিচারটি হল অসাধারন সুন্দর আন্ডারওয়াটার স্ট্রিটভিউ ধরনের দৃশ্য। এতদিন এসকল দৃশ্য শুধুমাত্র পানির নিচে সন্তরনরত স্কুবা ড্রাইভাররাই উপভোগ করতে পারত। কিন্তু এখন থেকে চোখ আটকানো এসব দৃশ্য দেখার সুযোগ পাবে গুগল ম্যাপস ব্যবহারকারিরা, মানে সারা বিশ্বই। দি ক্যটলিন সিভিউ সার্ভের কাছ থেকে সংগ্রহ করা এইসব ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে গভীর পানির নিচে লুকিয়ে থাকা চোখধাধাঁনো এই সব দৃশ্য বিশ্বের সাবার সামনে তুলে ধরতে চাইছে গুগল ম্যাপস। আর তার শুভ শরুটা করেছে বিখ্যাত গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ দিয়ে। আমার মতে, নতুন এই ফিচারটি গুগল ম্যাপস এর জনপ্রিয়তা আরো অনেক বাড়িয়ে তুলবে নিঃসন্দেহে।
বিস্তারিত পড়ুন - আন্ডারওয়াটার ভিউ : নতুন আকর্ষণ এল গুগল ম্যাপস এ

কি ভিন্নতা এলসিডি এবং এলইডি-র মধ্যে?

এলসিডি ও এলইডি ডিসপ্লে নিয়ে অনেকের মাঝে নানা ধরনের বিভ্রান্তি আছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে ব্যপারটা এই রকম যে, এলইডি (লাইট এমিটিং ডায়োড) কে এলসিডি ডিসপ্লের ব্যাকলাইটিং এর জন্য যখন ব্যবহার করি তখনই আমরা তাকে বলি এলইডি ডিসপ্লে। মনিটরের ব্যাকলাইটের ক্ষেত্রে এলইডি আগের যে প্রযুক্তিটির বদলে ব্যবহৃত হচ্ছে সেটি হল ফ্লুরোসেন্ট টিউব যা কিনা আমাদের বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত টিউব লাইটের সমগোত্রীয়। যেকোন এলসিডি মনিটরই ব্যাকলাইটিং এর জন্য এলইডি বা ফ্লুরোসেন্ট টিউব ব্যবহার করতে পারে। তার মানে এই নয় যে, কোন মনিটর ব্যাকলাইটিং এর জন্য এলইডি ব্যবহার করার মানেই এটি আর এলসিডি মনিটর থাকল না। এটিকে তখনও এলসিডি মনিটর বলতে হবে কারন নন এলইডি ব্যাকলাইট সমৃদ্ধ এলসিডি মনিটর যে প্রযুক্তি এলসিডি প্যানেল ব্যবহার করছে এটিও ঠিক তাই করছে। এখানে পার্থক্যটা হচ্ছে শুধু এলইডি ব্যাকলাইটিং এর বেলায়।

Difference between LED and LCD

মনিটরের এলসিডি অংশটি হল এর লাল, নীল এবং সবুজ পিক্সেল যার ফলে আমরা মনিটরের পর্দায় ছিব দেখি। পেছন থেকে যদি আলোর প্রতিফলন না ঘটে তাহলে আমরা মনিটরের পর্দায় কিছুই দেখতে পারব না এবং এটাকেই বলছি ব্যাকলাইট। সুতরাং বোঝা গেল, এলসিডি মনিটরে পিক্সেলকে আলোকিত করার জন্য যে আলো ব্যবহৃত হচ্ছে সেটি এলইডি ভিত্তিক হতে পারে অথবা হতে পারে ফ্লুরোসেন্ট টিউব ভিত্তিক।

এলইডি মানেই হল লাইট এমিটিং ডায়োড অর্থাৎ ডায়োড থেকে আলোর প্রতিফলন ঘটবে এলইডিতে। বিদ্যুৎতায়িত শক্তি এলইডি বাল্ব এর মধ্যে রাখা সেমিকন্ডাক্টর থেকে আলোর প্রতিফলন করতে সাহায্য করে। লাইটিং প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে এলইডি মনিটরে আলো এড়িয়ে যেতে পারে না। যার ফলে এর ছিবর গুনাগুন মানসম্মত থাকে এবং ছবি থাকে পরিষ্কার। নীল বা সাদা আলো প্রতিফলনে ব্যবহৃত নাইট্রাইড এলইডি মডিউলে ব্যবহৃত সবচেয়ে বেশী প্রচলিত সেমিকন্ডাক্টর গুলোর মধ্যে একটি। এলইডি ডায়োডকে নির্দিষ্ট কোনো রং প্রতিফলন করার মত করে ডিজাইন করা যায়, আবার এমনভাবেও ডিজাইন করা যায় যাতে একটি ডায়োড থেকে ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের আলো প্রতিফলন করা যায়। মাল্টিকালার ভিত্তিক এলইডি ডায়োড ব্যবহার করে বড় বড় এলইডি পর্দায় ছবি প্রদর্শন করা যায়।

ফ্লুরোসেন্ট টিউবের তুলনায় এলইডি ৪০ শতাংশ কম বিদ্যুৎ খরচ করে। অন্যদিকে এলসিডিতে ফ্লুরোসেন্ট টিউবের ব্যবহারের ফলে আলোর প্রতিফলনে বাধা পড়ে। ফলে একটু হলেও পর্দায় ছবির মান এলইডি থেকে কম আসে। ফ্লুরোসেন্ট টিউব ভিত্তিক ব্যাকলিট মনিটরে আরো কিছু সুবিধা আছে যেমন: এগুলো একটু বেশী উজ্জল হয়, বেশ সংখক রং সাপোর্ট করে এ বলা হয়। আবার এলইডি ব্যাকলাইট সমৃদ্ধ মনিটর বন্ধ অবস্থা থেকে মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ডেই সর্বোচ্চ উজ্জলতায় পৌছে যেতে পারে। এদিক থেকে এগুলো ফ্লুরোসেন্ট টিউবভিত্তিক মনিটরের চেয়ে এগিয়ে আছে কারন এসব মনিটরে উজ্জলতায় পৌছাতে কয়েক মিনিট ও লাগতে পারে।
বিস্তারিত পড়ুন - কি ভিন্নতা এলসিডি এবং এলইডি-র মধ্যে?

আত্ববিশ্বাস ছিল, আছে, থাকবে

আজ প্রায় দীর্ঘ এক বছর পর আমার এই ব্লগে লিখতে বসেছি। কিছুই বুঝতে পারছি না কি লিখব আজ। এই এক বছরে আমার জীবনে অনেক সুখ, কষ্ট, হাসি কান্না এসেছে। তারপর ও জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না। আমারটাও ছিল না, সব কিছুর মাঝেও নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সব কিছু কি আর ভোলা যায়, কিছু কিছু স্মৃতি সারা জীবন হৃদয়ে আঁচড় কাটবে। অতীত কারোর পিছু ছাড়ে না, বর্তমান কিছুতেই থামানো যায় না আর ভবিষ্যত, এটা যেন প্রতিটা মুহূর্ত হাতছানি দিয়ে ডাকে। যখন মনের ইচ্ছামতো কিছু পাই না তখন মানি হয়ত আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কিছু আমার ভাগ্যে রেখেছে। বিবিএ'র শেষ বর্ষে পড়ছি, একমাত্র ছেলে হিসাবে বাবা মার চোখে আমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন, আর তাই পৃথিবীর যেকোন ঝড় এলেও বিন্দু পরিমান আত্ববিশ্বাসটুকু আমি হারাব না।

ছোট্ট একটি গল্প বলি, একটি ছোট ছেলে তার বাবাকে নিয়ে জুতা কিনতে গিয়েছে। অনেক খোঁজ করার পর ছেলেটি তার পছন্দমত জুতা পায় নি। বাবা তাকে অন্য এক জোড়া জুতা কিনে দিল। ছেলেটির মন অনেক খারাপ। দোকান থেকে বের হয়ে বাবা তাকে একটি লোককে দেখিয়ে বলে, দেখ তুমি তোমার পছন্দ মতো জুতা পাও নি বলে তোমার মন খারাপ, একবার ভাব তো এই লোকটার দুটো পা-ই নেই।

আমি মানি জীবনে কষ্টটায় বেশী মনে থাকে, অপর দিকে হাজার সুখ এলেও মনে হয় কিছুটা মাত্র ছুঁয়ে গেছে। হাজার প্রতিকূলতার মাঝে নিজের মন মানসিকতা ঠিক রাখাটাই হল সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। এই কথাগুলো কাউকে শুধু শোনানোর জন্য বলছি না, এগুলো আমার জীবনের বাস্তবতা। আমি পেরেছি, এবং পারব।

আজ থেকে এই ব্লগে নিয়মিত লিখার চেষ্টা করব। এই ব্লগের ডোমেইন নামটা আমার নিজের নামে। ভাগ্য ভাল যে, খালি ছিল। ঠিক নিজের নামে নিজের ব্লগ, কোন আলাদা শব্দ বা অক্ষর নেই। ভাবতেই যেন ভাল লাগে। আমার আরো একটি ব্লগ আছে, সেখানে আমি প্রায়ই লিখি। আপনারা ঘুরে আসতে পারেন। এইখানে ক্লিক করুন।

আজ আর কি লিখব। আপনারা আমার পাশে থাকলে অনেক বেশী উৎসাহ পাব। রাত এখন ১:৪৬ মিনিট, বাইরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে, এক মুঠো বৃষ্টির হাজার ফোঁটা ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা রইল। ভাল থাকবেন।
বিস্তারিত পড়ুন - আত্ববিশ্বাস ছিল, আছে, থাকবে

ফেসবুকের ফ্রি এস.এম.এস নোটিফিকেশন এখন বাংলাদেশে

আমরা সবাই জানি ফেসবুক বর্তমানে অনলাইন যোগাযোগের অন্যতম একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। অন্যান্য দেশের মত ফেসবুক বাংলাদেশেও খুব জনপ্রিয়। তাই আমরা সবাই চেষ্টা করি ফেসবুকের মাধ্যমে আমাদের প্রতিটি মূহুর্ত শেয়ার করতে। কিন্তু সব সময় ফেসবুকের সাথে থাকা কি সম্ভব? অবশ্যই না। তাই দূরে থেকেও যাতে ফেসবুকের সাথে থাকা যায় এজন্য ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের মোবাইল সার্ভিস দিয়ে থাকে, যার মাধ্যমে প্রতিটি ফেসবুক ব্যবহারকারী তার মোবাইলের মাধ্যমে স্ট্যাটাস আপডেট, মেসেজ সেন্ড করা, ইনফরমেশন দেখা এবং সব নোটিফিকেশন এস.এম.এস এর মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু ফেসবুক কান্টি লিস্টে বাংলাদেশ নেই। লিস্টে নেই তো তাতে কি? এখন আপনিও বিনামূল্যে এই সুবিধাটি পেতে পারেন যদি আপনার মোবাইল ফোনটি গ্রামীণ অথবা বাংলালিঙ্ক হয়। এই সুবিধার মাধ্যমে আপনি আপনার প্রিয় মোবাইলে ইন্টারনেট ছাড়াই ফেসবুকের প্রায় সবকিছুই এস.এম.এস এর মাধ্যমে পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারবেন।

এজন্য প্রথমে আপনার ফেসবুকে লগইন করুন আপনার আইডি এবং পাসওর্য়াড দিয়ে। তারপর একাউন্টে ক্লিক করে একাউন্ট সেটিংস এ যান।

এবার মোবাইল ট্যাবে ক্লিক করুন।


এবার আপনার মোবাইল থেকে (গ্রামীণ অথবা বাংলালিঙ্ক) মেসেজ অপশনে যান, এবং নিচের পদ্ধতিমত একটি এস.এম.এস পাঠান।
গ্রামীনফোন গ্রাহকদের জন্য: লিখুন fb এবং সেন্ড করুন ২৫৫৫ নাম্বারে।
বাংলালিঙ্ক গ্রাহকদের জন্য: লিখুন fb এবং সেন্ড করুন ৩২৬৬৫ নাম্বারে।

২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনি একটি কোড সহ কনফার্মেশন এস.এম.এস পাবেন।
এবার ফেসবুকের মোবাইল ট্যাবে গিয়ে Already received a confirmation code? লিঙ্কে ক্লিক করুন। এস.এম.এস এ পাওয়া কোডটি লিখে (Confirm) কনফার্ম বাটনে ক্লিক করুন। তারপরের পেজে আপনি কি কি নোটিফিকেশন পেতে চান সেইগুলো সিলেক্ট করে Save preferences এ ক্লিক করুন। ব্যাস হয়ে গেল আপনার কাজ, এবার যা করবে ফেসবুক করবে। আপনার একাউন্টে যে যাই কিছু করবে তার নোটিফিকেশন আসবে আপনার মোবাইলে এস.এম.এস হয়ে।

উপরের লেখাটি সংগ্রহে রাখতে চাইলে এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন (মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফরমেট)।
বিস্তারিত পড়ুন - ফেসবুকের ফ্রি এস.এম.এস নোটিফিকেশন এখন বাংলাদেশে

হৃদয়ের পাশে হৃদয় রেখ

free bangla sms by blogger saimoomহৃদয়ের পাশে হৃদয় রেখ,
হাজার সুখের আবেশে তোমার মনে মিশে যাব।
চোখ বন্ধ করে দেখ,
শত ভালবাসায় সাজিয়ে মায়ার বাঁধনে বেধেছি তোমায়।
বিস্তারিত পড়ুন - হৃদয়ের পাশে হৃদয় রেখ

 
 
 

সাম্প্রতিক পোস্টগুলো

ছোট্ট একটি বিরতি...

সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলো